Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts

Sep 14, 2012

অ্যাডব্রাইটঃ ওয়েব থেকে আয়ের এক নতুন সেবা

যারা নিজেরা ওয়েবসাইট তৈরী করেন বা নিজের ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট আছে, তারা এখন নিজেদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপণ প্রদর্শনের মাধ্যমে আয়ের এক ভিন্নধর্মী পথ বেছে নিতে পারেন। ইন্টারনেটে এমন কিছু কোম্পানী আছে যারা আপনার সাইটে বিজ্ঞাপণ সরবরাহ করার বিপরীতে আপনাকে তাদের লাভের একটা অংশ দিবে। হাজারো ওয়েবসাইটের মধ্যে সবচাইতে বিশ্বস্ত ও জনপ্রিয় সার্ভিস হচ্ছে গুগল অ্যাডসেন্স। এই সার্ভিসটি গুগল অনেক আগে থেকেই দিয়ে আসছে এবং অনেকেই এটি ইতোমধ্যেই নিজেদের সাইটে ব্যবহার করে আয়-উপার্জনও করেছেন। একই সেবা প্রদান করার মত হাজারো কোম্পানী থাকা সত্ত্বেও গুগলকে টেক্কা দিতে পারেনি কেউ। কিন্তু স¤প্রতি অ্যাডব্রাইট নামক নতুন একটি কোম্পানী তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে যা অল্পকিছুদিনেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এর অসাধারণ কিছু ফীচারের কারণে। আসুন, নতুন এই সেবা সম্বন্ধে খুঁটিনাটি জেনে নেয়া যাক।

অ্যাডব্রাইট মূলতঃ

বিজ্ঞাপণ গ্রহণ ও প্রদানকারী একটি কোম্পানী। গুগল অ্যাডওয়ার্ড ও গুগল অ্যাডসেন্সের সম্মিলিত রূপই হচ্ছে অ্যাডব্রাইট। পার্থক্য শুধু এই যে, একটি গুগলের এবং অন্যটি অ্যাডব্রাইটের। অ্যাডব্রাইটের সেবার আওতায় যে কোন ওয়েবমাস্টার (যিনি ওয়েবসাইট own করেন) নিজের ওয়েবসাইটে অ্যাডব্রাইটের নেটওয়ার্ক থেকে সাইটের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিজ্ঞাপণ প্রদানের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারেন। অ্যাডসেন্সের মতই অ্যাডব্রাইটও ইউ.এস ডলারে চেকের মাধ্যমে টাকা প্রদান করে থাকে। এর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপঃ

ইনলাইন অ্যাডসঃ

আপনার সাইটে ইনলাইন অ্যাডস নামক এই ফীচারটি সংযুক্ত করে আপনি পেতে পারেন আরো বেশি ইউনিক ক্লিক যা আপনার আয়ের পরিমাণকে আরো বেশি বাড়িয়ে দিবে। ইনলাইন অ্যাডস আপনার সাইটের পুরো কন্টেন্টব্যাপী বিজ্ঞাপণ প্রদর্শনের এক ভিন্ন ও আকর্ষণীয় উপায়। আপনার সাইটের টেক্সটের মধ্যে যে শব্দটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিজ্ঞাপণ অ্যাডব্রাইট নেটওয়ার্কে আছে, সেই শব্দটি আন্ডারলাইন হয়ে যাবে এবং ব্যবহারকারী যখন ঐ শব্দের উপর কার্সর রাখবেন তখন হোভার বাটনের মত ঐ বিষয়ক বিজ্ঞাপণটি প্রদর্শিত হবে। যদি ইউজার ক্লিক করেন, তাহলে তিনি ঐ বিজ্ঞাপণ সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠায় চলে যাবেন। ইনলাইন অ্যাডস থেকে আপনি কস্ট-পার-ক্লিক বা প্রতি ক্লিকের বিনিময়েই একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পাবেন। ইনলাইন অ্যাডস একটিভেট করতে আপনার পেজের যেকোন একটি ইউনিট সিলেকশনের সময় ইনলাইন অ্যাডস ফীচারটি চেক্ড্ রাখুন (বাই ডিফল্ট এটি চেক্ড্-ই থাকে)। ইনলাইন অ্যাডস আপনার সাইটে কিছুটা দৃষ্টিকটু করে ফেলতে পারে। তাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবার আগে ভালোভাবে ভেবে নিন।

ফুল পেজ অ্যাডসঃ

ফুল পেজ অ্যাডস হচ্ছে অ্যাডব্রাইটের সবচেয়ে আকর্ষণীয় একটি বিজ্ঞাপণ পন্থা! এটি আপনার পেজে অ্যাক্টিভেট করলে প্রত্যেকটি বা বেশকিছু ব্যবহারকারী যখন আপনার পেজ ভিজিট করবেন, তখন শুরুর দিকে অথবা হঠাৎ আপনার সমগ্র পেজব্যাপী একটি বিজ্ঞাপণ প্রদর্শিত হবে এভাবে "Your page Title" is brought to you today by "Advertiser's name" । তখন ঐ বিজ্ঞাপণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের বৈশিষ্টসমূহ সবই ঐ এক পৃষ্ঠায় বর্ণিত থাকবে। ব্যবহারকারী যদি আগ্রহী হয় এবং ঐ সাইটটি ব্যবহার করে, তাহলেই আপনার লাভ। আপনি আপনার পেজে এই সিস্টেমটি ব্যবহার করতে পারেন কারণ এটি আপনার সাইটকে দৃষ্টিকটু করে না। আর হ্যাঁ, ফুল পেজ অ্যাডেস ক্ষেত্রে উপরেই স্কিপ দিস অ্যাড নামক একটি বাটন থাকে যেখানে ক্লিক করে ব্যবহারকারী পুনরায় আপনার সাইটের কন্টেন্ট দেখতে পাবেন।

যেভাবে অ্যাডব্রাইটের সদস্য হবেন ও অ্যাডব্রাইট ব্যবহার করবেনঃ

অ্যাডব্রাইটের সদস্য হওয়া বা সাইটে ব্যবহার করা একেবারেই সহজ একটি প্রক্রিয়া। যারা গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করেছেন, তাদের নতুন করে কিছুই শিখবার নেই। তারপরও আসুন পুরো প্রক্রিয়াটি একবার দেখে নেয়া যাক।
প্রথমে http://www.adbrite.com থেকে রেজিস্ট্রেশন করে নিন। রেজিস্ট্রেশন করতে সাইন আপ বাটন ব্যবহার করুন। ফরমটি সঠিকভাবে আপনি যেখানে থাকেন অর্থাৎ আপনার বাসার ঠিকানা দিয়ে পূরণ করুন। ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড মনে রাখুন। ভ্যালিড ই-মেইল অ্যাড্রেস প্রদান করুন। Make checks payable to এর ঘরে যার নামে চেক পেতে চান তার নাম সতর্কতার সাথে লিখুন। ফরম পূরণ হয়ে গেলে সাবমিট প্রেস করুন।
রেজিষ্ট্রেশন হয়ে যাবার পর যে কোন সময় অ্যাডব্রাইটের সাইটে সাইন ইন করতে পারেন। সাইন ইন করার পর উপরের লিংক বার থেকে ফর পাবলিশার্স বাটনটি প্রেস করুন। মনে রাখবেন, অ্যাডব্রাইটে রেজিস্ট্রেশন করবার পর আপনি অ্যাডব্রাইটের একজন পাবলিশার বা প্রকাশক হিসেবে গণ্য হবেন।

অ্যাডব্রাইট ব্যবহার করাঃ

ড্যাশবোর্ড থেকে ক্রিয়েট নিউ জোন এ ক্লিক করুন। প্রথমে আপনাকে অ্যাড প্রেফারেন্স পেজে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখান থেকে আপনার পছন্দমত অপশন বাছাই অথবা বাতিল করুন। এরপর নিচের লাল বাটনটি প্রেস করুন। এ পর্যায়ে আপনার কাছে আপনার সাইটের ঠিকানা, কী ধরণের সাইট অর্থাৎ, সাইটের ক্যাটাগরি ইত্যাদি তথ্য জানতে চাওয়া হবে। সঠিকভাবে পূরণ করে সাবমিট করুন। তারপর আপনার অ্যাড জোন বা অ্যাড ইউনিট (গুগল অ্যাডসেন্সের ভাষায়) সংক্রান্ত প্রেফারেন্স সিলেক্ট করতে হবে। যেমন, কী সাইজের অ্যাড জোন ব্যবহার করবেন, রং কী ধরণের হবে, সাইটের কোথায় বিজ্ঞাপণটি প্রদর্শন করবেন ইত্যাদি। সবশেষে সাবমিট প্রেস করলে পেয়ে যাবেন আপনার জাভাস্ক্রিপ্ট কোডটি। আপনার সাইটের যেখানে আপনি বিজ্ঞাপণ প্রদর্শন করতে চান, সেখানে কোডটি পেস্ট করুন। পেস্ট করার পর বিজ্ঞাপণ প্রদর্শনের জন্য অ্যাডব্রাইট সর্বোচ্চ তিন ঘন্টা নিতে পারে। তিন ঘন্টা পর আপনার সাইটের বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিজ্ঞাপণ দেখতে পাবেন আপনার সাইটে।
তবে প্রথমদিকে খুব একটা মিল নাও থাকতে পারে, কারণ অ্যাডব্রাইট একটি নতুন বিজ্ঞাপণদাতা প্রতিষ্ঠান। তাদের নেটওয়ার্কে আপনার সাইটের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিজ্ঞাপণ নাও থাকতে পারে। তবে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন অ্যাডব্রাইটের সেবা। কারণ যেভাবে অ্যাডব্রাইটের শাখা বিস্তার হচ্ছে, খুব অল্পদিনেই এটি অ্যাডসেন্সকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। অ্যাডব্রাইট ব্যবহার হচ্ছে ইয়াহু!, ইবেয়, ডিগ, ওমেন্স ডে এর মত বিখ্যাত সব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের মত পত্রিকাতেও অ্যাডব্রাইট ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে অনেক আগেই।

লক্ষ্যণীয় বিষয়ঃ

গুগল অ্যাডসেন্সের মত অ্যাডব্রাইটেরও রয়েছে ক্লিক ফ্রড ধরবার জন্য আলাদা ডিপার্টমেন্ট। তাই নিজের সাইটের বিজ্ঞাপণে নিজেই ক্লিক করবেন না, বা অপরকে ক্লিক করতে উৎসাহিত করবেন না। একই সাইটে খুব বেশি বিজ্ঞাপণ প্রদর্শন করবেন না। এতে আপনার সাইট দৃষ্টিকটু হয়ে যেতে পারে। একটি ওয়েবসাইট দেখতে দৃষ্টিকটু হলে এর ব্যবহারকারীগণ দ্বিতীয়বার ঐ সাইটে আসতে উৎসাহিত বোধ নাও করতে পারেন। মনে রাখবেন, আপনার ওয়েবসাইটে আয় হবে শুধুমাত্র আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটরদের দ্বারাই। তাই আপনার ওয়েবসাইট যেন ইউজারফ্রেন্ডলী হয়, এবং আকর্ষণীয়, দৃষ্টিনন্দন হয়, এজন্য আপনার সর্বক্ষণ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকতে হবে।
তো আর দেরী কেন? আপনার সাইটে অ্যাডব্রাইট বসিয়ে আজই আয় করা শুরু করুন একসাথে গুগল অ্যাডসেন্স ও অ্যাডব্রাইটের মাধ্যমে।

ছবি ইডিট করার একটি অসাধারন সফটওয়ার (সিরিয়াল সহ )

আমাদের নিজেদের কে সুন্দরভাবে উপস্থাপন কে না করতে চাই । তাই আমাদের ছবিকে আমরা বিভিন্ন সফটওয়ার দিয়ে ইডিট করে থাকি । কিন্তু আমাদের কিছু ধারনা থাকতে হয় সফটওয়ারগুলো সম্পর্কে । আজকে আমি একটি সফটওয়ারের সম্পর্কে বলব যা দিয়ে আপনি আপনার ছবিকে খুব আকর্ষনীয় করতে পাবেন । এর ব্যবহার করা খুবই সহজ যা একজন ৮ বছবের বাচ্চাও ব্যবহার করতে পারবে । আর এর মাধ্যমে আপনি নানা রকমের ইফেক্ট যোগ করতে পারবেন । ছবিকে ইচ্ছেমত রিসাইজও করতে পারবেন । সফটওয়ারটির নাম Photo Art Studio ।
as
সফটওয়ারটি ব্যবহার না করলে বুঝা খুব মুশকিল হবে যে কত আকর্ষনীয় করতে পারবেন আপনার ছবিকে । সফটওয়ারটি এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন ।

ডাউনলোড করুন অতি প্রয়োজনীয় একটি সফটওয়ার (FSCapture Portable)-যেকোন সময়ই প্রয়োজন হতে পারে

কেমন আছেন সবাই। আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের সাথে অতি প্রয়োজনীয় একটি সফটওয়ার শেয়ার করব। এটি কম্পিউটারের স্ক্রীনশট নেয়ার টুল।সফটওয়্যারটির নাম FSCapture.
কম্পিউটার এর স্ক্রীন ক্যাপচার এর ক্ষেত্রে এটি একটি চমৎকার টুল। সাধারনত ভিসতা কিংবা সেভেন এ স্ক্রীন ক্যাপচার এর জন্য accessories এ snipping tool নামে একটি টুল রয়েছে যা দিয়ে আমরা স্ক্রীন এর যেকোন অংশ ইমেজ হিসেবে সেভ করে রাখতে পারি। কিংবা কীবোর্ড এর print screen কী এর মাধ্যমেও সম্পূর্ন স্ক্রীন এর একটি ছবি তুলতে পারি। কিন্তু এই প্রসেসগুলোর সমস্যা হচ্ছে এটি দিয়ে শুধুমাত্র স্ক্রীনে যতটুকু দেখা যায় ঠিক ততটুকুই ক্যাপচার করতে পারে।
উপরোক্ত সফটওয়্যারটির একটি বিশেষত্ব হল এটি scrolling কোন window এর সম্পূর্ন ছবি তুলতে পারে। সাথে রয়েছে এডিট করার সুযোগ।

নিচের ছবিটি দেখুন।

সফটওয়্যারটি দিয়ে টেকটিউনের প্রথম পাতার একটি ছবি তুলেছি। অরিজিনাল ছবিটি প্রায় 1.2MB. রিসাইজ করে এখানে দিলাম।
সফটটির মেইন উইন্ডোঃ

প্রতিটি বাটন এর নিচে মাউস পয়েন্টার নিলে ঐ বাটন এর কাজ দেখিয়ে দেয়।
আপনি কি ধরনের উইন্ডোর ছবি নিতে চান তা সিলেক্ট করে ছবি ক্যাপচার করার পর ছবিটি edit window তে ওপেন হবে। আপনি ক্যাপচার করা ছবিটি মডিফাই করে বিভিন্ন ফরম্যাটে সেভ করে রাখতে পারেন।

আপনি চাইলে এই সফটওয়্যারটির এডিটর দিয়ে পিসির অন্য যেকোন ছবিও এডিট করতে পারেন।
সফটওয়্যারটির ফিচারগুলো একনজরেঃ
১। উইন্ডো, অবজেক্ট,  মেনু, ফুল স্ক্রীন, Rectangular/Freehand ক্যাপচার, স্ক্রলিং উইন্ডো বা ওয়েব পেজ ক্যাপচার করতে পারবেন।
২। এডিটরের মধ্যে ক্যাপচার করা ছবিতে টেক্সট, অ্যা্রো লাইন, হাইলাইট, ওয়াটার মার্ক প্রভৃতি যোগ করতে পারবেন।
৩। বিভিন্ন ইফেক্ট যোগ করতে পারবেন যেমনঃ drop-shadow, frame, torn-edge, fade-edge ইত্যাদি।
৪। ইমেজে ক্যাপশন অ্যাড করতে পারবেন।
৫।ইমেজ Resize, crop, rotate, sharpen, brighter, adjust color ... করতে পারবেন।
৬। সফটওয়্যারটি এক্সটার্নাল এডিটরও সাপোর্ট করে।
৭। সাথে রয়েছে স্ক্রীন রেকর্ডার যা দিয়ে আপনি আপনার মনিটরের এক্টিভিটি ভিডিও ফরম্যাট এ সেভ করে রাখতে পারবেন।(বিভিন্ন টিউটোরিয়াল তৈরীতে অতি প্রয়োজনীয় )।
পোর্টেবল এ সফটওয়্যারটির সাইজ মাত্র 2.5MB। ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।
আশা করি সফটটি আপনাদের কাজে আসবে। আপনাদের মতামত দিতে ভুলবেন না যেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

৫টি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগ ইন

আজ কয়েকটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় প্লাগ ইন এর কথা শেয়ার করব ।
১. WP BAN: এই প্লাগ ইনটি ভিজিটরদের ব্যান করতে ব্যবহৃত হয় । এর সাহায্য IP, IP Range, host name, user agent and referer url দ্বারা ব্যান করতে পারবেন ।
২. WP Comment Navi: কমেন্ট অনেক বেশী হয়ে গেলে দেখতে খারাপ লাগে আবার পেজ লোড হতেও সময় নেয় । এই প্লাগ ইনটি কমেন্টগুলোকে সুন্দরভাবে উপস্থাপনে সাহায্য করে ।
৩. Let It Snow: এই ক্রিসমাসে আপনার ব্লগে তুষারপাতের ইফেক্ট যোগ করবে । তুষারপাতের পরিমান , দিক সবই আপনি নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন ।
৪.WP DB manager: এই প্লাগইনটি দ্বারা আপনার WP এর ডেটাবেস ব্যকআপ , রিস্টোর , রিমুভ ইত্যাদি করতে পারবেন ।
৫. WP User Online: এই প্লাগইনটি দ্বারা আপনার WP ব্লগে এখন কয়জন ভিজিটর আছে তার রিয়লটাইম ডাটা আপনার ব্লগে সো করবে ।
মূল রচনা

কি লগার হতে আপনার পাসওর্য়াড কে রক্ষা করুন

কি – লগার (Keylogger) কি?

কি লগার হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম যেটি আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করা থাকলে আপনি কি-বোর্ডে কি’ গুলো প্রেস করে কম্পিউটারে যা যা লিখছেন তা সেই প্রোগ্রামটি সংরক্ষন করে রাখবে আপনার অজান্তে। কি লগার হচ্ছে সবচেয়ে নিম্নস্তরের হ্যাকিং । কি লগার ব্যবহারের জন্য বিশেষ জ্ঞানের প্রয়োজন পড়েনা। এটি কারো ইমেইল এ্যাড্রেস বা অন্যান্য এ্যাকাউন্টের ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড হ্যাক করার সহজ পদ্ধতি ।
আচ্ছা ধরুন আপনি সাইবার ক্যাফেতে ব্রাউজিং করছেন। আপনি হয়তো জানেনও না যে যেই পিসিতে বসে আপনি ব্রাউজিং করছেন তাতে কেউ পূর্বেই কি-লগার ইনস্টল করে রেখে গেছে। এখন ধরুন আপনি http://mail.yahoo.com এ গেলেন এবং ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড প্রদান করলেন । তৎক্ষনাত কি লগার টি আপনি যা যা টাইপ করেছিলেন সব রেকর্ড করে ফেলছে । ভয়ংকর তাইনা । এখন আপনি বলতে পারেন ঠিকআছে আমি কি বোর্ড দিয়ে ইউজারনেম পাসওয়ার্ড লিখবো না উইন্ডোজের অনস্ক্রিন কিবোর্ড ব্যবহার করবো।
(Start > All Programs > Accessories > Accessibility > On-Screen Keyboard ) তবে জেনেনিন কি লগারটি সেটিও রেকর্ড করে ফেলবে (আমি পরিক্ষা করে দেখেছি) এছাড়াও প্রায় কি-লগার গুলোতে স্ক্রিনশট ফাংশনালিটি রয়েছে যার মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে বা নির্দিষ্ট সময় পরপর কি-লগারটি ডেক্সটপের স্ক্রিনশট তুলে রাখে ফলে হ্যাকার এটিও জানতে পারবে আপনি ডেক্সটপে কি কাজ করছিলেন , কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করছেন , ইউজারনেম বক্সে কি লেখা আছে , পাসওয়ার্ড এর ঘরে কালো বিন্দু গুলোর সংখ্যা কয়টি ( যা পরবর্তীতে লগ হতে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড কে আলাদা ভাবে বুঝতে সহায়তা করে)
যা হোক এ বিষয় সম্পর্কে জানার পর আমার মনেও সঙ্কা জাগে যে অন্য কেউ তো কি-লগার ব্যবহার করে আমার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে পারে। আমি মরিয়া হয়ে এর সমাধান খোঁজা শুরু করলাম এবং হয়তো কিছুটা সমাধান ও পেয়ে গেছি। সেটি নিয়েই লেখা।

যা যা প্রয়োজন :

ক) একটি পেনড্রাইভ
খ) ফায়ারফক্স পোর্টেবল
ফায়ারফক্স পোর্টেবল হচ্ছে ফায়ারফক্সেরই পোর্টেবল ভার্সন। অর্থাৎ এটি পেনড্রাইভে ইনস্টল করা হলে যে কোন কম্পিউটারে পেনড্রাইভ হতে ফায়ারফক্স চালানো যাবে, ইনস্টল করার প্রয়োজন পড়বে না।
এটি পাওয়া যাবে এখান থেকে : http://portableapps.com/apps/internet/firefox_portable
ফায়ারফক্স পোর্টেবল টি ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড করার পর প্রোগ্রামটি রান করে ব্রাউজ করে আপনার পেনড্রাইভটি সিলেক্ট করে দিন। তারপর Install বাটনে ক্লিক করুন। ফায়ারফক্স পোর্টেবল আপনার পেনড্রাইভে ইনস্টল হওয়া শুরু করবে। পোর্টেবল ফায়ারফক্স অনুমানিক ২০ মেগাবাইটের মত যায়গা নেবে। বাকি ফ্রি স্পেস ব্যবহার হবে Cache ফাইল সংরক্ষনের জন্য (আপনি ওয়েবসাইট ভিজিট করলে ইমেজ, কুকি , ফ্ল্যাশ ফাইল ইত্যাদি লোকাল ডিস্কে সংরক্ষিত হয় এগুলোই ক্যাশ ফাইল)
আগেই বলে নেই আমরা ফায়ারফক্সের “পাসওয়ার্ড ম্যানেজার” ফিচার টি ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড কে কি-লগারের হাত হতে রক্ষা করব। যদিও এটি খুব সহজ বিষয় তবুও যারা এ সম্পর্কে জানেননা তাদের জন্য এই টিউটোরিয়াল।
এখন আপনার পেনড্রাইভ থেকে FirefoxPortable ফোল্ডারে গিয়ে FirefoxPortable.exe রান করুন।ফায়ারফক্স পোর্টেবল এর স্প্ল্যাশ স্ক্রিন দেখাবে এবং ফায়ারফক্স চালু হবে। খেয়াল রাখবেন এই ফায়ারফক্স পেনড্রাইভ থেকে রান হচ্ছে তাই এটি মূল ফায়ারফক্স থেকে কিছূটা স্লো চালু হতে পারে তবে usb 2.0 হলে হয়তো বা পারফরমেন্স ভালো হতে পারে। এখন ধরে নিচ্ছি আপনার কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ আছে এবং আপনার পিসিতে কিলগার নেই আপনি নিশ্চিত । এবার আপনার গুরুত্বপূর্ন ওয়েবসাইট টি ব্রাউজ করুন পোর্টেবল ফায়ারফক্স থেকে। ধরুন আপনি ইয়াহু মেইল বা জিমেইলে লগইন করবেন। এখন ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড বক্সে আপনার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড টাইপ করুন। এবার সাইন ইন বা লগইন বাটনে ক্লিক করলে একটি পপআপ ম্যাসেজ আসবে যে আপনার ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড ফায়ারফক্সের পাসওয়ার্ড ম্যানেজারে সেভ হবে কিনা।
pic1.jpg
চিত্রঃ – ১
এখান থেকে “Remember” বাটনে ক্লিক করুন তাহলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজারে তা সংরক্ষিত হবে। সংরক্ষিত হয়েছে কিনা তা আপনি দেখতে পারেন
Tools > Options > থেকে Security ট্যাবে গিয়ে
pic2.jpg
চিত্রঃ – ২
Show Passwords.. এ ক্লিক করুন। তাহলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার দেখতে পাবেন
pic3.jpg
চিত্রঃ – ৩
এখানে সাইট কলামে সাইটের এ্যাড্রেসটি , ইউজারনেম কলামে সেই সাইটে ব্যবহৃত ইউজার নেমটি এবং পাসওয়ার্ড কলামে পাসওয়ার্ড টি দেখতে পাবেন।
এখন থেকে যখন ই আপনি উক্ত সাইট টি ভিজিট করবেন সেই পেজের ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড বক্সে অটোমেটিক আপনার সংরক্ষিত ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দেওয়া থাকবে। আপনাকে কোনকিছু টাইপ করতে হবেনা তাই পাসওয়ার্ড যখন টাইপ’ই করছেন না তখন কি-লগার রেকর্ড করবে কি?? তবে একই এড্রেস বা সাইটের জন্য একের অধিক ইউজারনেম বা পাসওয়ার্ড সংরক্ষিত থাকলে ইউজার নেম পাসওয়ার্ড বক্স খালি থাকবে। আপনাকে নির্দিষ্ট ইউজারনেমটি টাইপ করতে হবে এবং পাসওয়ার্ড বক্সে এক ক্লিক করলে সেই ইউজারনেমের সাথে সংরক্ষিত পাসওয়ার্ডটি অটোমেটিক চলে আসবে।তবে এক্ষেত্রেও কি-লগার ইউজারনেম রেকর্ড করতে পারলেও পাসওয়ার্ড রেকর্ড করতে পারবেনা। তাছাড়াও কি-লগার স্ক্রিনশট তুললেও আপনার ইউজারনেমটিই দেখতে পারবে পাসওয়ার্ড নয়। ফলে আপনার পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত থাকবে। এক্ষেত্রে অনুরোধ রইলো পাসওয়ার্ড এমন রাখবেন যা ইউজারনেম দেখে ধারনা করা না যায়।
আর কেউ যাতে আপনার পেনড্রাইভ থেকে আপনার সংরক্ষিত পাসওয়ার্ড দেখতে না পারে এ জন্য Options > Security Tab থেকে Use master password এ ক্লিক করে পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখুন। ফলে কেউ পাসওয়ার্ড ম্যানেজার খুলে ইউজারনেম দেখতে পেলেও মাস্টার পাসওয়ার্ড ছাড়া পাসওয়ার্ড দেখতে পারবে না।
আর পোর্টেবল ফায়ারফক্সের মজা হচ্ছে আপনি এটি পেনড্রাইভে বহন করে নিতে পারছেন এবং সবচেয়ে অসুরক্ষিত পিসি (সাইবার ক্যাফের পিসি) তে বসে নিশ্চিন্তে আপনার প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট গুলো ব্রাউজ করতে পারছেন।

৫টি দরকারী ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগ ইনস

কিছুদিন আগেও পাচটি দরকারী ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগ ইনস নিয়ে পোষ্ট দিয়েছিলাম । অনেকেরই ভাল লেগেছে । তাই আজ আরো ৫টি দরকারী ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগ-ইনস এর বর্ননা দিলাম । আশা করি কারো না কারো কাজে আসবে ।
১. Dofollow: ওয়ার্ডপ্রেসের কমেন্ট পার্টটি nofollow করা থাকে । আপনি চাইলে এই প্লাগইনটি দ্বারা সহজেই একে dofollow করতে পারবেন । শুধু এটি নামিয়ে ইনষ্টল করে নিন ব্যস কাজ শেষ ।
ডাউনলোড
২. Comment Images: এই প্লাগইনটি দ্বারা আপনার ব্লগের কমেন্ট রাইটারদের তাদের কমেন্টে ইমেজ যোগ করার সুবিধা দিতে পারবেন । কমেন্ট ফর্মের নিচে একটি লিংক থাকবে তাতে ক্লিক করলে একটি উইন্ডো আসবে তাতে ইমেজ ইউ আর এলটি দিলেই তা কমেন্টে যুক্ত হয়ে যাবে ।
ডাউনলোড
৩. Commentluv: এই প্লাগইনটি ব্লগের কমেন্টার বৃদ্ধিতে অনেক কার্যকারী । এই প্লাগইনটি দ্বারা ভিজিটর এর ব্লগের সর্বোশেষ পোষ্টটি তার কমেন্টের শেষে শো করতে পারবেন ।
ডাউনলোড
৪. WP-Post ratings: এই প্লাগইনটি আপনার প্রত্যেক পোষ্টটের নিচে রেট করার জন্য পাচঁটি স্টার যুক্ত করবে ফলে ভিজিটররা সহজেই আপনার পোষ্টটিকে রেটিং দিতে পারবে ।
ডাউনলোড
৫. Facebook Photos plugins: এই প্লাগইনটি দ্বারা আপনার পোষ্ট এডিটরে একটি আইকন যুক্ত হবে যার দ্বারা সহজেই আপনার ফেসবুক পিকচারকে পোষ্টে যুক্ত করতে পারবেন ।
ডাউনলোড
সূত্র

রবি নতুন ইন্টারনেট মোডেম ও প্যাকেজ এ যা যা আছে

কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহ্র রহমতে সবাই ভাল। আমরা যারা নতুন ইন্টারনেট সংযোগ কিনতে চাই তাদেরজন্য আমার এ টুইন।আজ আমি রবি মোডেম নিয়ে আলোচনা করবো এবং জানানোর চেস্টা করবো কি কি আছে এতে।রবি তার সম্মানিত গ্রহকদের জন্য খুব আকষনীয় ইন্টানেট মোডাম নিয়ে এলো বাজারে। সাথে রবি নতুন একটি প্যাকেজ নিয়ে এলো চলুন দেখি কি আছে প্যাকেজ ও মোডামে……
কি আছে রবি মোডামে …….
• HSDPA/UMTS ২১০০ মে.হার্টজ্
• AG/GPRS/GSM ১৯০০১৮০০/৯০০
• HSDPA যাটা রেট ৩.৬ MBPS
• SMS ও ভয়েস সার্ভিস
• প্লাগ এ্যান্ড প্লে
• Windows 7/Vista/XP/2000 ও Mac তে সহযে ব্যবহার করা যাবে
• SIM লাগানোর যয়গা
এ বার দেখে কি আছে রবি প্যাকেজে………..
• একটি ইন্টারনেট মোডেম
• একটি প্রিপেইড সিম
• 1 জিবি ফ্রি (ড্যাটা)
• বান্ডলের সাথেই থাকছে ১ জিবি ড্যাটা (৩০ দিন মেয়াদের)
• প্রতিবার ১ জিবি কিনলে আরো ১ জিবি ফ্রি পাবেন।১ জিবির দামের ২ জিবি পাবেন।
• প্রতি ১ জিবি ড্যাটা প্যাকের মেয়াদ থাকবে ৩০ দিন।
• অন্য কোন পরিমাণ ড্যাটা কিনলে এই বোনাস পাবেন না।
• কেবল বান্ডল গ্রাহকদের জন্যেই এই অফার প্রযোজ্য থাকবে।
•অফারটি শুরু হলো ১৪ এপ্রিল ২০১১ তারিখ থেকে চলবে আগামী ৩ মাস
এ বার দেখুন কি ভাবে আফারটি চালু করবেন……..
• ১১১ ডায়াল করে কিংবা ভয়েস কল করে এই অফারটি চালু করতে পারবেন
• *৮৪৪৪*৮৫# ডায়াল করে ১ জিবি ভলিউম প্যাক কিনতে পারবেন।
• *২২২*৮১# ডায়াল করে আপনার ব্যালান্স জানতে পারেন।
রবি ইন্টারনেট মোডেম এখন মাত্র ১৫৫০ টাকায় ইন্টারনেট সিম সহ সকল রবি কেন্দ্রে পাওযা যাবে সকল রবি গ্রাহকসেবা কেন্দ্র থেকে এই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
সবাইকে ধন্যবাদ…….

Sep 10, 2012

বুধবার আসছে 'আইফোন ৫'!

ভক্তদের অপেক্ষার পালা শেষ! এবার আইফোন ৫ সত্যিই আসবে হাতের মুঠোয়। এর নির্মাতা অ্যাপল সরাসরি কিছু না জানালেও লক্ষণ বলছে বুধবারই বাজারে দেখা মিলবে এই স্মার্টফোনের। কারণ এদিন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে বিশেষ এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে অ্যাপল। আর এতে দাওয়াত পেয়েছেন গণমাধ্যম কর্মীরাও। অ্যাপলের নতুন পণ্য বাজারে ছাড়ার সময়ই সাধারণত এমনটি ঘটে।
কিছুদিন ধরেই প্রযুক্তি বাজারে গুজব ছিল, সেপ্টেম্বরেই আইফোনের নতুন সংস্করণ বাজারে আনবে অ্যাপল।
বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এনপিডি গ্রুপের বিশ্লেষক স্টিফেন ব্যাকার জানান, নতুন সংস্করণের আইফোনটির পর্দার আকার আগের সংস্করণের তুলনায় বেশ বড় হবে। থাকছে চতুর্থ প্রজন্মের 'ফোরজি' ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগও।
এদিকে গত শুক্রবার থেকেই বেড়ে গেছে অ্যাপলের শেয়ারমূল্য। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বাজারমূল্য ৬৮০ বিলিয়ন ডলার, যা আগের তুলনায় প্রায় ৪২.৫ বিলিয়ন ডলার বেশি।
টেক প্রতিদিন ডেস্ক
সূত্র : এএফপি

তৃতীয় প্রজন্মের প্রসেসরের জন্য মাদারবোর্ড

মাইক্রো স্টার ইন্টারন্যাশনালের (এমআইএস) তৃতীয় প্রজন্মের প্রসেসর সমর্থিত দুটি নতুন মডেলের মাদারবোর্ড বাজারে এসেছে।  জেড৭৭এ-জি৪৩ এবং এইচ৭৭এমএ-জি৪৩ এ দুই মডেলের মাদারবোর্ড উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেম সমর্থন করে। এগুলোতে সর্বোচ্চ ৩২ গিগাবাইট র‌্যাম লাগানো যায়। 
ব্যবহার করা যায় কোরআই থ্রি থেকে সেভেন প্রসেসর এবং সেলেরন ও পেন্টিয়াম প্রসেসর। 
কম্পিউটার সোর্সের আনা মাদারবোর্ড দুটিতে আছে তিন বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা। —বিজ্ঞপ্তি

লিংক

নতুন প্রযুক্তির ল্যাপটপ

এ৪৩ইআসুসের আইসকুল প্রযুক্তির এ৪৩ই মডেলের নতুন ল্যাপটপ বাজারে এসেছে। আইসকুল প্রযুক্তি ল্যাপটপকে ঠান্ডা রাখে। লাল ও নীল এই দুই রঙের আবরণের ল্যাপটপটিতে রয়েছে ইন্টেল দ্বিতীয় প্রজন্মের কোরআই-৫ প্রসেসর, ২ গিগাবাইট র‌্যাম, ৫০০ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক ড্রাইভ, ১৪-ইঞ্চি পর্দা, ডিভিডি রাইটার, ওয়্যারলেস ল্যান ইত্যাদি। গ্লোবাল ব্র্যান্ড (প্রা.) লিমিটেডের বাজারে আনা ল্যাপটপটির দাম ৪৮ হাজার ৯০০ টাকা। —বিজ্ঞপ্তি


লিংক





আসছে আমাজনের নতুন ই-বুক রিডার


আমাজনের কিন্ডল ফায়ার
আমাজনের কিন্ডল ফায়ার
অ্যাপলের জনপ্রিয় ট্যাবলেট আইপ্যাডের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আমাজন নতুন ই-বুক রিডার কিন্ডল বাজারে আনছে। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট আমাজন নতুন কিন্ডল বিশেষ মূল্যে নিয়ে এসেছে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একটি সংবাদ সম্মেলনে নতুন ট্যাবলেটের দুটি সংস্করণ দেখানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নতুন হাই ডেফিনেশন (এইচডি) সুবিধার সাত ইঞ্চি সংস্করণটি যুক্তরাষ্ট্রে এবং যুক্তরাজ্যে কেনা যাবে ১৫৯ পাউন্ডে, যেখানে আইপ্যাডের মূল্য ৩৯৯ পাউন্ড। নতুন এ ডিভাইসে রয়েছে একটি ক্যামেরা, ১১ ঘণ্টা ব্যাটারি লাইফ, ১৬ গিগাবাইট মেমোরি ইত্যাদি। নানা সুবিধার পাশাপাশি নতুন এ ডিভাইসের মাধ্যমে কিন্ডল বুক সার্ভিসটি আরও সহজভাবে ব্যবহার করা যাবে। আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস বলেন, ‘নতুন কিন্ডল ফায়ার এইচডি শুধু হার্ডওয়্যারই নয় বরং দারুণ এক সেবা। আশা করছি, ডিভাইসটি দারুণ সব সুবিধা দেবে এবং সেরা সাত ইঞ্চি ট্যাবলেট হিসেবে শীর্ষেই থাকবে।’ কিন্ডল ফায়ারের পাশাপাশি কিন্ডল ই-রিডারের ছোট সংস্করণেরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যার মূল্য হবে মাত্র ৬৯ পাউন্ড। এখন অপেক্ষার পালা। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এ ধরনের প্রতিযোগিতা ব্যবহারকারীদের জন্য দারুণ উপকারীই বটে। —দি টেলিগ্রাফ অবলম্বনে কাজী আশফাক আলম

‘হ্যাসওয়েল’ প্রসেসরের আলট্রাবুক!


চলতি মাসেই সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিতব্য ইনটেল ডেভেলপার ফোরাম নামের বার্ষিক অনুষ্ঠানে ‘হ্যাসওয়েল’ প্রসেসরের আলট্রাবুক দেখাতে পারে ইনটেল। ইনটেলের কম্পিউটার ব্যবসার মহাব্যবস্থাপক কার্ক স্কজেন সম্প্রতি ফোর্বস ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে কার্ক স্কজেন জানিয়েছেন, ১১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনের এই ইনটেল ডেভেলপার ফোরাম। এবারের অনুষ্ঠানে আলট্রাবুকের ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে ইনটেল। অনুষ্ঠানে আলট্রাবুকের জন্য নতুন প্রজন্মের প্রসেসর বাজারে আনার ঘোষণা দেবে ইনটেল।
এদিকে ৭ সেপ্টেম্বর এক খবরে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিদ্যুত্-সাশ্রয়ী ‘হ্যাসওয়েল’ নামের একটি নতুন প্রজন্মের প্রসেসর এ মাসে বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। 
কার্ক স্কজেন জানিয়েছেন, বিদ্যুত্-সাশ্রয়ী প্রসেসর হিসেবে হ্যাসওয়েল কম্পিউটিংয়ের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রাফিকসের মানও উন্নত করবে। এই প্রসেসরটি বিদ্যুতের খরচ ১৭ ওয়াট থেকে ১০ ওয়াটে নামিয়ে আনবে, ফলে এ প্রসেসরচালিত ল্যাপটপে চার্জ থাকবে দীর্ঘসময় ধরে।
আলট্রাবুক প্রসঙ্গে ফোর্বসকে স্কজেন আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে বাজারে ৪০ ধরনের আলট্রাবুক রয়েছে। আর এ আলট্রাবুকের বাজার দ্রুত বাড়ছে। এ বছরের শেষ নাগাদ বাজারে ১৪০ ধরনেরও বেশি আলট্রাবুক পাওয়া যাবে, যার মধ্যে ৪০ টি হবে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির। মাইক্রোসফটের নতুন অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৮ আলট্রাবুকের বাজারে সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছে। তাই এবারের ইনটেলের অনুষ্ঠান হচ্ছে আলট্রাবুক কেন্দ্রিক প্রসেসরকে ঘিরে।
কার্ক স্কজেন বলেন, কম্পিউটার শিল্পে উদ্ভাবনী নকশার ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে। এখন প্রচলিত ল্যাপটপ ও ট্যাবলেটের মধ্যকার ফারাক ঘোচাতে নতুন নতুন নকশার কম্পিউটার তৈরি হচ্ছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান স্মার্টফোনের মত স্লাইড আবার কেউ ভাঁজ করা যায় এমন ল্যাপটপ তৈরি করছে। ভোক্তাদের পছন্দ অনুসারে ল্যাপটপ সরবরাহের জন্য ট্যাবলেট, ল্যাপটপ ও হাইব্রিড নকশা উদ্ভাবন করছে প্রতিষ্ঠানগুলো। আর নতুন কম্পিউটারে কিবোর্ড ও মাউসের পরিবর্তে নতুন কোনো সেবা পেতে চান ভোক্তারা। কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাই এসব কম্পিউটারে কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ প্রযুক্তি, অঙ্গভঙ্গি বোঝার ক্ষমতা, বা চেহারা চেনার প্রযুক্তির মত নতুন প্রযুক্তি যুক্ত করছে। আর নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে প্রয়োজন দ্রুতগতির প্রসেসর। ইনটেল সেই কাজটিই করছে।
এদিকে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত কনজিউমার ইলেকট্রনিক শোতে (সিইএস) এক সংবাদ সম্মেলনে ইনটেলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মুলি ইডেন জানিয়েছিলেন, আলট্রাবুক নামের হালকা-পাতলা মডেলের ল্যাপটপগুলোর ক্ষমতা বাড়াতে ইনটেল আইভিব্রিজ ও হ্যাসওয়েল প্রসেসর নিয়ে কাজ করছে। আলট্রাবুকের দাম কমানোর জন্যও চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। 

প্রযুক্তিবিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, বর্তমানে কম্পিউটারের চাহিদা কমে যাচ্ছে। তবে নতুন প্রজন্মের ইনটেলের প্রসেসর কম্পিউটার বাজারকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করতে পারে।

দ্রুততম বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘কনসেপ্ট ওয়ান’



ক্রোয়েশিয়ার গাড়ি নকশাকারী প্রতিষ্ঠান রিম্যাক অটোমোবাইল ‘কনসেপ্ট ওয়ান’ নামের একটি ইলেকট্রনিক সুপারকার তৈরি করেছে। সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিকে লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য ‘স্যালন প্রাইভ লাক্সারি কার শো’তে এ গাড়িটি দেখানো হবে। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির দাবি, গাড়িটির কাঠামো কার্বনের তন্তু ব্যবহার করে তৈরি। গাড়িতে ব্যবহূত বৈদ্যুতিক মোটর ১ হাজার ৮৮ হর্সপাওয়ার শক্তি উত্পাদন করতে সক্ষম। প্রতি ঘণ্টায় গাড়িটি ১৯০ মাইল গতিতে ছুটতে পারবে। রিম্যাকের দাবি, কনসেপ্ট ওয়ান হবে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী বৈদ্যুতিক গাড়ি।
বিলাসবহুল ‘কনসেপ্ট ওয়ান’ গাড়িটি প্রতিবছর ১৩ টি করে তৈরি করা হবে বলেই জানা গেছে। প্রতিটি গাড়ির দাম পড়বে ১০ লাখ ডলার।