খুব সহজ একটা অংক দিয়ে শুরু করা যাক।
ধরুন, একটি স্কুল। সেই স্কুলের তিনটি ক্লাসরুম। A, B এবং C ।
প্রতিটি ক্লাসরুমের জন্য একজন টিচার, ১টি ব্ল্যাকবোর্ড, ১০টি চক, ১০টি ডেস্ক, ১০টি পাঠ্যবই, ১০টি কলম, ১০টি কম্পিউটার । ছাত্রদের খাবারের জন্য ১০টি মানসম্মত খাবারের প্যাকেট ।
A ক্লাসে ছাত্রসংখ্যা ১৫ ।
B ক্লাসে ছাত্রসংখ্যা ২০০ ।
C ক্লাসে ছাত্রসংখ্যা ১০ ।
বলুন ত কোন ক্লাসে শিক্ষাদান সহজ হবে শিক্ষকের জন্য ?
কোন ক্লাসে ছাত্ররা ভালভাবে শিক্ষাগ্রহণ করতে পারবে বলে আশা করতে পারি? যে ক্লাসরুমে শিক্ষাদান পদ্ধতি সবচে খারাপ দেখা যাচ্ছে তার পেছনে কারণ কি?
অনেক সহজ হিসাব, তাই না?
এবার স্কুলটাকে আমাদের পৃথিবী ধরা যাক । ধরি,
A ক্লাস = America
B ক্লাস = Bangladesh
C ক্লাস = Canada
ধরা যাক টিচার = সরকার।
অঙ্কটা আর সহজ থাকল না । আসুন কিছু Facts দেখি-
আমেরিকার আয়তনঃ ৩৭,৯৪,১০০ বর্গমাইল, জনসংখ্যা ৩১ কোটি
বাংলাদেশের আয়তনঃ ৫৫,৫৯৮ বর্গমাইল, জনসংখ্যা ১৬ কোটি
কানাডার আয়তনঃ ৩৮,৫৬,৭৫১ বর্গমাইল, জনসংখ্যা ৩ কোটি
ডেনসিটি দেখুন:
এলাকাভেদে জনসংখ্যার তফাৎ থাকলেও সার্বিকভাবে আমেরিকায় প্রতি বর্গমাইলে ৭৬ জন, বাংলাদেশে ২৮৫০ জন আর কানাডায় ৯.২৭ জন বাস করে ।
আমেরিকা আর কানাডার সাথে বাংলাদেশের তুলনা কেন করছি ? কারণ, এই দেশদুটো উন্নত বিশ্বের প্রতীক । উন্নত বিশ্বের প্রেক্ষাপটে আমাদের অবস্থান বর্তমানে কোথায় তা জানা দরকার। শুধু উপরের fact গুলো দেখুন, আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। প্রতিদিন ষোলকোটি লোকের জন্য খাদ্য, পানি, বাসস্থান, বস্ত্র, শিক্ষা ইত্যাদি অত্যন্ত মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করতেই হিমসিম খেয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।সুষমভাবে বন্টন করা হয়ও যদি সবকিছু, তাতেও ঘাটতি পূরণ হবার নয় । সম্পদ সবকিছু সীমিত, কোটি কোটি মুখ। রাস্তাঘাটে মানুষের ঢল। মানুষের সাথে মানুষের শারীরিক সংঘর্ষ, মানসিক সংঘর্ষ, অস্থিরতা, নিরাপত্তাহীনতা, খুন-ছিনতাই-রাহাজানি-নির্যাতন -এর পেছনে সবচে বড় কারণটা কি? উত্তর একটাই - জনসংখ্যার প্রচন্ড বিস্ফোরণ।
আমি ব্লগে নিতান্তই নবীশ- নিজেকে ব্লগার এখনও বলি না, আমি একজন পাঠক। পড়তে ভালবাসি, চোখের সামনে যা পাই সব পড়ি । বাংলাদেশের করুণচিত্র আমাকে ভীষণভাবে আপ্লুত করে। দৈনিক পত্রিকায় যখন চোখ বুলাই, ব্লগে যখন আসি- আমি মর্মপীড়ায় আক্রান্ত হই। অপুষ্ট বাংলাদেশ। অপুষ্টি আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে । যারা বাংলাদেশে কোটিপতি তারাও কি যানজটে আটকা পড়ে থাকছেন না? আপনার পারিপার্শ্বিকতা নিয়ে আপনি কতটুকু সফল জীবনযাপন করছেন? হাসিনা, খালেদা, যাবতীয় পলিসিমেকার - সবাইকে বাপ-মা তুলে গালাগালি। দোষ দেয়া যায় না-মৌলিক চাহিদা পূরণ হচ্ছে না, তাই রাগ ঝাড়ছি ব্লগে এসে। আগামী ৫ বছর পরে এই চিত্রটি কেমন হবে? ২৫ বছর পরে? বাংলাদেশ যেন এক পাগলা ঘোড়া । এর রাশ টেনে ধরবে কে? কিভাবে? আমার ত মনে হয় খোদ সুপারম্যানও বাংলাদেশে এসে টাস্কি খেয়ে যাবে।
আসুন নিজের ঘরের ভেতর তাকাই। আমাদের মা বাবা ভাই বোন সন্তান সন্ততি । ভরণ পোষণ করে কুলিয়ে উঠতে পারছি না ।সন্তানের শিক্ষা নিশ্চিত করব? বাবার জরুরী চিকিৎসা উপেক্ষা করতে হয় তাহলে । কাঁথা একটাই, একদিকে টান দিলে অপরদিক নাঙ্গা হয়ে যাচ্ছে। এখন শুধু অপেক্ষা, কিসের অপেক্ষা জানা নেই-জীবনের ঘানি টেনে শুধুই অপেক্ষা। মুখের হাসি মিলিয়ে যাচ্ছে, নবজাতকের প্রথম মুখদর্শনে যে অকৃত্রিম হাসি ছিল বাবা-মার মুখে, তা মিলিয়ে যাচ্ছে ক্রমাগত । নবজাতকের জন্য আমি একরাশ অনিশ্চয়তা ছাড়া আর কি রেখে যেতে পারছি? গ্যারান্টি কোথায় যে আজ থেকে ২৫ বছর পরে আমার সন্তান তার জন্মের জন্য আমাকে অভিশাপ দেবে না?
এই ষোলো কোটির একজন হয়ে আপনার কাছে আমার অনুরোধ, জিজ্ঞেস করুন নিজেকে -
১। আমার জন্মের উদ্দেশ্য কি ছিল ? আমি কেন জন্মেছিলাম ?
২। আমি কি সেই উদ্দেশ্য পূরণ করতে পেরেছি ?
৩।পৃথিবীর একজন নাগরিক হিসেবে পৃথিবীতে আমার অবদান কি? আমার মাধ্যমে এই পৃথিবীর একজন মানুষ ও কি উপকৃত হয়েছে?
৪। নাকি পৃথিবীতে শুধুই এক কীটপতঙ্গের জীবন যাপন করে যাচ্ছি?
জিজ্ঞেস করুন নিজেকে। নিজেকে জানার চেষ্টা করুন, চেনার চেষ্টা করুন। অবশ্যই আপনার দেয়ার কিছু আছে- আপনার সম্পদ কোনটি? আপনার মেধা, আপনার জ্ঞান, আপনার শ্রম, আপনার সময়। B ক্লাসের ছাত্র হওয়াতে আমাদের সমস্যা অন্য দুই ক্লাসের থেকে অনেক অনেক অনেক বেশী। নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যই এখন আমাদেরকে A এবং C ক্লাসের থেকে অনেক অনেক বেশী smart হতে হবে । অপ্রতুলতার মাঝে সবার জন্য সবকিছু নিশ্চিত কিভাবে করা যায় তা ভেবে বের করতে হবে । শুধু টিচারের উপর নির্ভর করলে B ক্লাসে সুশিক্ষা আশা করতে পারি না আমরা । চলুন ১০ জনের ছোট ২০টা গ্রুপ তৈরি করি প্রথম- পর্যায়ক্রমে নিজের সম্পদ অন্যদের সাথে শেয়ার করি। টিচারের কাজ তুলনামূলকভাবে কিছুটা কমানোর চেষ্টা করি। একজন কৃষিবিদ তার কৃষিভাবনা ও প্রযুক্তি, একজন চিকিৎসক তার স্বাস্থ্যভাবনা এবং একইভাবে অন্যরাও তাদের দক্ষতা অন্যদের সাথে শেয়ার করলেন । আমি মনে করি ব্লগ ইতোমধ্যে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠেছে interaction এর ক্ষেত্রে । একে কার্যকরীভাবে ব্যবহার করতে পারি আমরা । এছাড়াও নিজ এলাকাতে নিজ উদ্যোগে শুরু করতে পারি । তবে সবচে প্রথম যা নিশ্চিত করা দরকার তা হল, B ক্লাসে ছাত্রসংখ্যা আর একজনও বাড়ান যাবে না । কোনোভাবেই না। আমরা অনেক অনেক পিছিয়ে আছি, আর পেছান যাবে না ।
চলুন জনসংখ্যা বিস্ফোরণ রোধ করি । দম্পতিদেরকে দুই নয় - এক সন্তানগ্রহণে উৎসাহ দিই । আপনি-আমি আজ দেশের কাছে দায়বদ্ধ । চলুন কাজের মাধ্যমে আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রমাণ করি ।
ধরুন, একটি স্কুল। সেই স্কুলের তিনটি ক্লাসরুম। A, B এবং C ।
প্রতিটি ক্লাসরুমের জন্য একজন টিচার, ১টি ব্ল্যাকবোর্ড, ১০টি চক, ১০টি ডেস্ক, ১০টি পাঠ্যবই, ১০টি কলম, ১০টি কম্পিউটার । ছাত্রদের খাবারের জন্য ১০টি মানসম্মত খাবারের প্যাকেট ।
A ক্লাসে ছাত্রসংখ্যা ১৫ ।
B ক্লাসে ছাত্রসংখ্যা ২০০ ।
C ক্লাসে ছাত্রসংখ্যা ১০ ।
বলুন ত কোন ক্লাসে শিক্ষাদান সহজ হবে শিক্ষকের জন্য ?
কোন ক্লাসে ছাত্ররা ভালভাবে শিক্ষাগ্রহণ করতে পারবে বলে আশা করতে পারি? যে ক্লাসরুমে শিক্ষাদান পদ্ধতি সবচে খারাপ দেখা যাচ্ছে তার পেছনে কারণ কি?
অনেক সহজ হিসাব, তাই না?
এবার স্কুলটাকে আমাদের পৃথিবী ধরা যাক । ধরি,
A ক্লাস = America
B ক্লাস = Bangladesh
C ক্লাস = Canada
ধরা যাক টিচার = সরকার।
অঙ্কটা আর সহজ থাকল না । আসুন কিছু Facts দেখি-
আমেরিকার আয়তনঃ ৩৭,৯৪,১০০ বর্গমাইল, জনসংখ্যা ৩১ কোটি
বাংলাদেশের আয়তনঃ ৫৫,৫৯৮ বর্গমাইল, জনসংখ্যা ১৬ কোটি
কানাডার আয়তনঃ ৩৮,৫৬,৭৫১ বর্গমাইল, জনসংখ্যা ৩ কোটি
ডেনসিটি দেখুন:
এলাকাভেদে জনসংখ্যার তফাৎ থাকলেও সার্বিকভাবে আমেরিকায় প্রতি বর্গমাইলে ৭৬ জন, বাংলাদেশে ২৮৫০ জন আর কানাডায় ৯.২৭ জন বাস করে ।
আমেরিকা আর কানাডার সাথে বাংলাদেশের তুলনা কেন করছি ? কারণ, এই দেশদুটো উন্নত বিশ্বের প্রতীক । উন্নত বিশ্বের প্রেক্ষাপটে আমাদের অবস্থান বর্তমানে কোথায় তা জানা দরকার। শুধু উপরের fact গুলো দেখুন, আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। প্রতিদিন ষোলকোটি লোকের জন্য খাদ্য, পানি, বাসস্থান, বস্ত্র, শিক্ষা ইত্যাদি অত্যন্ত মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করতেই হিমসিম খেয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।সুষমভাবে বন্টন করা হয়ও যদি সবকিছু, তাতেও ঘাটতি পূরণ হবার নয় । সম্পদ সবকিছু সীমিত, কোটি কোটি মুখ। রাস্তাঘাটে মানুষের ঢল। মানুষের সাথে মানুষের শারীরিক সংঘর্ষ, মানসিক সংঘর্ষ, অস্থিরতা, নিরাপত্তাহীনতা, খুন-ছিনতাই-রাহাজানি-নির্যাতন -এর পেছনে সবচে বড় কারণটা কি? উত্তর একটাই - জনসংখ্যার প্রচন্ড বিস্ফোরণ।
আমি ব্লগে নিতান্তই নবীশ- নিজেকে ব্লগার এখনও বলি না, আমি একজন পাঠক। পড়তে ভালবাসি, চোখের সামনে যা পাই সব পড়ি । বাংলাদেশের করুণচিত্র আমাকে ভীষণভাবে আপ্লুত করে। দৈনিক পত্রিকায় যখন চোখ বুলাই, ব্লগে যখন আসি- আমি মর্মপীড়ায় আক্রান্ত হই। অপুষ্ট বাংলাদেশ। অপুষ্টি আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে । যারা বাংলাদেশে কোটিপতি তারাও কি যানজটে আটকা পড়ে থাকছেন না? আপনার পারিপার্শ্বিকতা নিয়ে আপনি কতটুকু সফল জীবনযাপন করছেন? হাসিনা, খালেদা, যাবতীয় পলিসিমেকার - সবাইকে বাপ-মা তুলে গালাগালি। দোষ দেয়া যায় না-মৌলিক চাহিদা পূরণ হচ্ছে না, তাই রাগ ঝাড়ছি ব্লগে এসে। আগামী ৫ বছর পরে এই চিত্রটি কেমন হবে? ২৫ বছর পরে? বাংলাদেশ যেন এক পাগলা ঘোড়া । এর রাশ টেনে ধরবে কে? কিভাবে? আমার ত মনে হয় খোদ সুপারম্যানও বাংলাদেশে এসে টাস্কি খেয়ে যাবে।
আসুন নিজের ঘরের ভেতর তাকাই। আমাদের মা বাবা ভাই বোন সন্তান সন্ততি । ভরণ পোষণ করে কুলিয়ে উঠতে পারছি না ।সন্তানের শিক্ষা নিশ্চিত করব? বাবার জরুরী চিকিৎসা উপেক্ষা করতে হয় তাহলে । কাঁথা একটাই, একদিকে টান দিলে অপরদিক নাঙ্গা হয়ে যাচ্ছে। এখন শুধু অপেক্ষা, কিসের অপেক্ষা জানা নেই-জীবনের ঘানি টেনে শুধুই অপেক্ষা। মুখের হাসি মিলিয়ে যাচ্ছে, নবজাতকের প্রথম মুখদর্শনে যে অকৃত্রিম হাসি ছিল বাবা-মার মুখে, তা মিলিয়ে যাচ্ছে ক্রমাগত । নবজাতকের জন্য আমি একরাশ অনিশ্চয়তা ছাড়া আর কি রেখে যেতে পারছি? গ্যারান্টি কোথায় যে আজ থেকে ২৫ বছর পরে আমার সন্তান তার জন্মের জন্য আমাকে অভিশাপ দেবে না?
এই ষোলো কোটির একজন হয়ে আপনার কাছে আমার অনুরোধ, জিজ্ঞেস করুন নিজেকে -
১। আমার জন্মের উদ্দেশ্য কি ছিল ? আমি কেন জন্মেছিলাম ?
২। আমি কি সেই উদ্দেশ্য পূরণ করতে পেরেছি ?
৩।পৃথিবীর একজন নাগরিক হিসেবে পৃথিবীতে আমার অবদান কি? আমার মাধ্যমে এই পৃথিবীর একজন মানুষ ও কি উপকৃত হয়েছে?
৪। নাকি পৃথিবীতে শুধুই এক কীটপতঙ্গের জীবন যাপন করে যাচ্ছি?
জিজ্ঞেস করুন নিজেকে। নিজেকে জানার চেষ্টা করুন, চেনার চেষ্টা করুন। অবশ্যই আপনার দেয়ার কিছু আছে- আপনার সম্পদ কোনটি? আপনার মেধা, আপনার জ্ঞান, আপনার শ্রম, আপনার সময়। B ক্লাসের ছাত্র হওয়াতে আমাদের সমস্যা অন্য দুই ক্লাসের থেকে অনেক অনেক অনেক বেশী। নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যই এখন আমাদেরকে A এবং C ক্লাসের থেকে অনেক অনেক বেশী smart হতে হবে । অপ্রতুলতার মাঝে সবার জন্য সবকিছু নিশ্চিত কিভাবে করা যায় তা ভেবে বের করতে হবে । শুধু টিচারের উপর নির্ভর করলে B ক্লাসে সুশিক্ষা আশা করতে পারি না আমরা । চলুন ১০ জনের ছোট ২০টা গ্রুপ তৈরি করি প্রথম- পর্যায়ক্রমে নিজের সম্পদ অন্যদের সাথে শেয়ার করি। টিচারের কাজ তুলনামূলকভাবে কিছুটা কমানোর চেষ্টা করি। একজন কৃষিবিদ তার কৃষিভাবনা ও প্রযুক্তি, একজন চিকিৎসক তার স্বাস্থ্যভাবনা এবং একইভাবে অন্যরাও তাদের দক্ষতা অন্যদের সাথে শেয়ার করলেন । আমি মনে করি ব্লগ ইতোমধ্যে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠেছে interaction এর ক্ষেত্রে । একে কার্যকরীভাবে ব্যবহার করতে পারি আমরা । এছাড়াও নিজ এলাকাতে নিজ উদ্যোগে শুরু করতে পারি । তবে সবচে প্রথম যা নিশ্চিত করা দরকার তা হল, B ক্লাসে ছাত্রসংখ্যা আর একজনও বাড়ান যাবে না । কোনোভাবেই না। আমরা অনেক অনেক পিছিয়ে আছি, আর পেছান যাবে না ।
চলুন জনসংখ্যা বিস্ফোরণ রোধ করি । দম্পতিদেরকে দুই নয় - এক সন্তানগ্রহণে উৎসাহ দিই । আপনি-আমি আজ দেশের কাছে দায়বদ্ধ । চলুন কাজের মাধ্যমে আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রমাণ করি ।
